রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে নিজের দুইশ'তম ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখার বেশ ভালো উপলক্ষ পেয়েছিলেন ভিনিসিউস জুনিয়র। একটা গোল করলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। পেনাল্টি মিস করেছেন, হেরেছে দলও।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে শনিবার রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের স্মরণীয় জয় পেয়েছে ভেলেন্সিয়া। লা লিগার শিরোপা জয়ের পথে এই হার বড় অন্তরায় হয়ে উঠতে পারে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যদের সামনে।

এই হারের পর ৩০ ম্যাচে ১৯ জয় ও ৬ ড্রয়ে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা।

পুরো ম্যাচে গোলের জন্য মাত্র ১০ শট নিয়েই বাজিমাত করল ভেলেন্সিয়া। বিপরীতে প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে ২১টি শট নিয়ে, যার ৯টি আবার লক্ষ্যে রেখেও মলিন মুখে মাঠ ছাড়েন এমবাপ্পে-ভিনিসিউসরা।

অবশ্য প্রথম সুযোগটা পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদই। পেনাল্টি থেকে গোল নিয়ে এগিয়ে যাবার সুযোগ ছিল। ভেলেন্সিয়ার এমবাপ্পে ফাউলের শিকার হলে স্পটকিক নিতে আসেন ভিনিসিউস। তবে তার শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেনি।

পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে উঠার আগেই গোল হজম করে বসে রিয়াল। ১৫ তম মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল দারুণ হেডে জালে পাঠান দিয়াখাবি। গোলরক্ষক ফ্রান গন্সালেস জায়গা থেকে নড়ার সুযোগ পাননি।

সেই গোলের আনন্দও আবার দুই মিনিট পরই উবে যেতে পারতো। দিয়াখাবি নিজেই বল পাঠিয়ে দেন নিজেদের জালে। তবে তার শটের আগমুহূর্তে এমবাপ্পে অফসাইডে থাকায় স্কোরলাইন বদলায়নি। বেঁচে যায় ভেলেন্সিয়া।

প্রথমার্ধ শেষ হয় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থেকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিউস। কর্ণার থেকে বল পেয়ে পায়ের টোকায় পেনাল্টি মিসের প্রায়শ্চিত্ত করেন। স্কোর তখন ১-১।

এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও ৯০ মিনিটের মাঝে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তবে আসল ঘটনা ঘটে যায় যোগ করা সময়ে। ছয় মিনিট যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল করেন উগো দুরো।

তাতেই স্কোর বদলে যায়। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচটা জিতে নেয় ভেলেন্সিয়া।