লুকা মদ্রিচের রেখে যাওয়া দায়িত্ব আগেই কাঁধে নিয়েছিলেন, এবার তার জার্সিটাও নিজের করে নিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আগামী মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১০ নম্বর জার্সিতেই দেখা যাবে তাকে।

গত সাত মৌসুম ধরে রিয়াল মাদ্রিদে ১০ নম্বরে জার্সি পরে খেলতেন লুকা মদ্রিচ। তার আগেও অসংখ্য কিংবদন্তীর গায়ে উঠেছে বিখ্যাত এই জার্সি। পড়েছেন ফেরেঙ্ক পুসকাস, লুইস ফিগো, মেসুত ওজিলরা।

এবার সেই জার্সি নাম্বার এমবাপ্পে পাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। কাল রাতে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হ্যান্ডলে তা জানিয়ে দিয়েছে মাদ্রিদের ক্লাবটি।

ড্রেসিংরুমে ঝুলিয়ে রাখা রিয়ালের ১০ নম্বর জার্সির একটি ছবি পোস্ট করা হয়। সাদা রঙের সে জার্সিতে লেখা নামটা- এমবাপ্পে। যা নিজেও ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে প্রকাশ করেন এমবাপ্পে।

ক্লাব বিশ্বকাপ শেষে ঠিকানা পাল্টে এসি মিলানে নাম লেখান লুকা মদ্রিচ। ২০১৭ সালের পর এবারই প্রথম ফাঁকা পড়েছিল রিয়ালের ১০ নম্বর জার্সি। তবে সেই শূন্যস্থান বেশিক্ষণ ফাঁকা থাকলো না।

এদিকে ক্লাব ফুটবলে সাত বছর পর আবার ১০ নম্বর জার্সি গায়ে চাপাবেন এমবাপ্পে। সবশেষ এই জার্সি গায়ে খেলেছিলেন তিনি প্রথম ক্লাব মোনাকোর হয়ে। সেখান থেকে ২০১৮ সালে পিএসজিতে খেলেছেন ভিন্ন ভিন্ন নম্বরে।

ক্লাবটিতে ১৪, ১৭ ও ২৯ নম্বর হয়ে থিতু হয়েছিলেন ‘৭’ নম্বর জার্সিতে। সেই জার্সি গায়েই তিনি হয়ে ওঠেন পিএসজির সফলতম গোলস্কোরার। এরপর পাড়ি জমান রিয়াল মাদ্রিদে।

রিয়ালে ৭ নম্বর জার্সি ভিনিসিউসের, ১০ নম্বর ছিল এতোদিন মদ্রিচের। প্রথম মৌসুমে তাই ৯ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেছেন এমবাপ্পে। এই জার্সি গায়ে এমবাপ্পে প্রথম মৌসুমেই গোলের রেকর্ড গড়েন।

ক্যারিয়ারের প্রথম ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন। জিতেন পিচিচিও। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৯ ম্যাচে ৪৪ গোল করেন এমবাপ্পে। এবার নাম্বার টেন হয়ে ছড়াবেন আলো।

অবশ্য জাতীয় দলে অনেকদিন আগে থেকেই ১০ নম্বর জার্সি এমবাপ্পের দখলে। এই জার্সি পরে এমবাপ্পে জাতীয় দলের হয়ে জিতেছেন একটি বিশ্বকাপও।