গ্রুপ পর্বে আথলেটিকো মাদ্রিদ, শেষ ষোলোতে ইন্টার মায়ামি, কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ, সেমিতে রিয়াল মাদ্রিদকে টপকে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে আসে পিএসজি।
ফাইনালের প্রতিপক্ষ কনফারেন্স লিগ চেলসি হলেও সবার চোখ ছিল পিএসজির দিকেই। তবে মাঠের খেলায় সব আলো কেড়ে নেন কোল পালমার। হয়ে উঠেন ফাইনালের নায়ক।
পালমারের জোড়া গোলে ভর করেই ক্লাব বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধার করে চেলসি। পিএসজিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। দলকে চ্যাম্পিয়ন করে বড় পুরস্কার পেয়েছেন পালমারও।
ফাইনালে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল আদায় করে নেন পালমার। অন্য গোলটাতেও ছিল তার অবদান। তিনিই বল তৈরি করে দেন পেদ্রোর জন্যও।
দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন তরুণ ইংলিশ ফরোয়ার্ড। এর আগে, কোয়ার্টার ফাইনালেও একটি গোল ছিল তার, আছে একটি এসিস্টও।
শুধু গোলের জন্য যে স্বীকৃতি, সেই গোল্ডেন বুটের পুরস্কারটা জিতেছেন গনসালো গার্সিয়া। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড করেছেন মোট ৪ গোল। সাথে আছে একটা অ্যাসিস্টও।
গার্সিয়ার মতো ৪টি করে গোল করেছেন বেনফিকার ডি মারিয়া, বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের সেরহো গুইরাসি ও আল হিলালের মার্কোস লিওনার্দো। তবে গার্সিয়ার অ্যাসিস্ট থাকলেও তাদের তা নেই।
এদিকে গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন চেলসির রবার্ট সানচেজ আর সেরা উদীয়মান পিএসজির দেজিরে দুয়ে। অ্যাডিডাস সিলভার বল পুরস্কার জিতেছেন ভিতিনহা। আর চেলসির মইসেস কাইসেডোর পকেটে গেছে ব্রোঞ্জ বল।