শাস্তি আরো কঠিন হচ্ছে তাওহীদ হৃদয়ের। বেড়েছে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। মাঠ আর মাঠের বাইরের বিতর্কিত কাণ্ডে আরো এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন তিনি, করা হয়েছে জরিমানাও।

আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে আম্পায়ারদের সাথে অসদাচরণ করে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন তাওহিদ হৃদয়। পেয়েছিলেন চার ডিমেরিট পয়েন্টও। তবে আজ জানা গেল, শাস্তি দ্বিগুণ হচ্ছে হৃদয়ের।

ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে উত্তেজক কথাবার্তা বলার শাস্তি হিসেবে আরো এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে হৃদয়কে। সেই সাথে ৮০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।

শনিবার ডিপিএলে আবাহনী বনাম মোহামেডানের মধ্যকার খেলায় অসদাচারণের ঘটনা ঘটে। ইনিংসের অষ্টম ওভারে ইবাদত হোসেনের বল আঘাত করে মোহাম্মদ মিঠুনের প্যাডে। আবেদন করে মোহামেডান।

কিন্তু তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার তানভীর আহমেদ। যা মনঃপূত হয়নি মোহামেডানের। প্রতিবাদ করতে থাকে মোহামেডান। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন আরেক আম্পায়ার শরফদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।

মোহামেডানের খেলোয়াড়েরা তর্কে জড়ান তার সাথেও। এই সময় টিভি সম্প্রচারে শরফুদ্দৌলাকে বলতে শোনা যায়, ‘তর্ক করতে চাইলে মাঠের বাইরে করবা। এখানে নয়।’ এদিকে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলতে দেখা যায় হৃদয়কেও।

এমনকি ম্যাচ শেষেও ছিল যার রেশ। সংবাদ সম্মেলনে এসে হৃদয় বলেন, ‘যা ঘটেছে সব এক্সপ্লেইন করতে পারব না। কিন্তু হিট অব দ্য মোমেন্টে অনেক কিছু হয়। তারাও ভুল করে কিন্তু আমার কাছে যেটা মনে হয় তারা ভুল করতেই পারে।’

‘মানুষ মাত্রই ভুল করে, আমরাও করব। আমার কাছে মনে হয় ভুলটা স্বীকার করা উচিত, আমি যদি ভুল করি আমিও স্বীকার করব। আপনি যদি ভুল স্বীকার না করে বলেন এটা ভুল না তাহলে তো হবে না।’

এই প্রসঙ্গে হৃদয় আরো বলেন, ‘সে আন্তর্জাতিক আম্পায়ার, তাকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু আমরাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। এখানে যারা ছিল বেশিভাগই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে তাই এমন ম্যাচে দুই-একটা ডিসিশন অনেক বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। যদি আবার হিতে অন্যদিকে যায়, আমি মুখ খুলব।’