সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলিংও হয়নি প্রত্যাশামতো। হতাশ করেছেন ক্রিকেটাররা। তবে বসে থাকার সুযোগ নেই, আজ শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দিনের খেলা।
দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে লাক্কাতুরায় টসে জিতে ব্যাট করে বাংলাদেশ। তবে সুবিধা করতে পারেনি, গুটিয়ে যায় ১৯১ রানে৷ জবাব দিতে নেমে বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলেছে জিম্বাবুয়ে। লিড নিতে তাদের চাই ১২৪ রান।
১৯১ রানে গুটিয় যাওয়া মানেই ভয়ঙ্কর বাজে কোনো কিছু নয় বাংলাদেশের জন্য। নিজেদের ১৫১ টেস্টে ১০৭ বার এর চেয়ে কম রানে অলআউট হয়েছে তারা। তবে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এতো বাজে ব্যাটিং যেন মেনে নেয়া যায় না।
ফুটে উঠল দেশের ব্যাটিং দৈন্যতার কঙ্কাল। মুজারাবানি-মাসাকাদজাদের কাছে এমন অসহায় হয়ে পড়বেন শান্ত- মুশফিকরা তা কল্পনায়ও ভাবেনি কেউ। যেন ব্যাট করতেই ভুলে গেছেন।
অথচ ম্যাচের আগে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার বার্তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ও প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তাদের চাওয়া মতোই বানানো হয় উইকেট। পরে টস ভাগ্যও পাশে পান শান্ত।
নিজের পছন্দমতো আগে ব্যাটিংও নেন তিনি। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নামার পর আর কিছুই প্রত্যাশা মতো হয়নি। কেন হয়নি তার জবাব সেই পুরনো কাসুন্দি। এই নেই, সেই নেই; ইত্যাদি।
তবে সব শেষে আশার কথাও শোনান সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলের এই সহকারী কোচ গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসে ঢাল হোন ক্রিকেটারদের। যেখানে তিনি জানান, দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে চান।
বলেন, ‘এখন আমাদের দ্রুত কাজ করতে হবে। অন্য ফরম্যাটে আপনি একবারই সুযোগ পাবেন। টেস্ট ক্রিকেট আপনাকে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়। সেখানে ভালো করাটা অনেক বেশি জরুরি।’
তবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এখন বোলিংয়ে দারুণ কিছু করতে হবে বাংলাদেশের। গতকাল শেষ বিকেলে বল হাতে পেলেও তার কিছুই করতে পারেমনি নাহিদ রানারা। তবে আজ (সোমবার) সকাল থেকেই চেপে ধরতে হবে জিম্বাবুয়েকে।
সকালে বেশ কিছু উইকেট নিতে পারলেই কেবল লড়াইয়ে ফেরা সম্ভব। অন্যথায় ধীরে ধীরে হাতছাড়া হতে থাকবে ম্যাচ।
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন আজ
সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলিংও হয়নি প্রত্যাশামতো। হতাশ করেছেন ক্রিকেটাররা।