আবাহনীর বিপক্ষে জিততে যেন ভুলেই বসেছিল মোহামেডান। গত প্রায় এক দশকে কখনো জিততে পারেনি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে।
অবশেষে শনিবার (১২ এপ্রিল) মিরপুরে ঘুচলো অপেক্ষা, ১১ ম্যাচ পর পেল জয়ের স্বাদ।
এ দিন আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.২ ওভারে ২৬৪ রান করে মোহামেডান। জবাবে গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা থামে ৪৭.২ ওভারে ২২৫ রানে। তাতে আবাহনীকে ৩৯ রানের জয় তুলে নিয়েছে মোহামেডান।
আবাহনী-মোহামেডানের সেই চিরচেনা দ্বৈরথ হারাতেই বসেছিল। ফুটবলে যেমন তেমন, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না মোটেও। ২০১৬ সালে সর্বশেষ জয় পেয়েছিল তারা।
ডিপিএলের ১১তম রাউন্ডের ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মোহামেডানের হয়ে ১১৮ বলে ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন আনিসুল ইসলাম ইমন। তিনে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন খেলেন ৫৫ বলে ৪৮ রানের ইনিংস।
তবে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভালো করতে পারেননি। মুশফিক ২০ ও মাহমুদউল্লাহ করেন ১৭ রান। ১৮ রান আসে মেহেদী মিরাজের ব্যাটে। আর কেউ তেমন বলার মতো রান পাননি।
বল হাতে নাহিদ রানা ৩, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রাকিবুল হাসান ও মাহফুজুর রাব্বি নেন দু’টি করে উইকেট।
জবাব দিতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যতীত আবাহনীর আর কেউ তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ১১৩ বলে ৮০ রানের ইনিংস শান্ত। এছাড়া মুমিনুল হক ২৫, মোসাদ্দেক হোসেন ও মৃত্যুঞ্জয় করেন সমান ২৪ রান।
মোহামেডানের হয়ে পেসার এবাদত হোসেন ৩৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। মিরাজ ও সাইফউদ্দিন নিয়েছেন দু’টি করে উইকেট।
শেষ রাউন্ডের এই জয়ে আবাহনীকে ছুঁয়েও ফেলেছে মোহামেডান। ১১ ম্যাচে ৯ জয়ে মোহামেডানের পয়েন্ট ১৮। চ্যাম্পিয়ন আবাহনীও ১১ ম্যাচে পয়েন্ট ১৮।
দিনের অন্য ম্যাচে শাইনপুকুরের বিপক্ষে ২৮ রানের জয় পেয়েছে রূপগঞ্জ টাইগার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৫০ রান তোলে রূপগঞ্জ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শাইনপুকুর থামে ২২২ রানে।
আর প্রাইম ব্যাংককে ৫ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। প্রাইম ব্যাংকের দেয়া ২০৪ রানের লক্ষ্য ৩৭.১ ওভারেই পেরোয় তারা। আজিজুল হাকিম তামিম ১০৬ বলে করেন ১০৫ রান।