কোচ আসে, কোচ যায়; বাংলাদেশ ক্রিকেট সেই আগের জায়গাতেই রয়ে যায়। তবে ফিল সিমন্সের অধীনে অবস্থা খুব একটা ভালো না, আগের থেকেও যেন পিছিয়ে গেছে টাইগাররা। যদিও আরেকটু ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধান কোচের।

সময়টা ভালো যাচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেটের। গত চার বছরে যারা একটি টেস্টও জিততে পারেনি, সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই কিনা ঘরের মাঠে হেরে গেছে তারা। সুবাদে সমালোচনার ঝড় উঠেছে চারদিকে।

তবে সেসব পাশ কাটিয়ে এখনি হতাশ না হবার কথা বললেন ফিল সিমন্স। বাংলাদেশ দলের প্রধান এই কোচ জানান আরেকটু ধৈর্য ধরতে। দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে আজ (রোববার) সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন সিমন্স।

তিনি বলেন, ‘সবাইকে ধৈর্য ধরতে বলব। বিশেষ করে ভক্তদের। এখানে খেলাটার প্রতি প্যাশন, ভালোবাসা অনেক বেশি। বাংলাদেশ আরো ভালো করুক, এটাই সবার চাওয়া। আমরা ঠিক কাজটা করার চেষ্টা করছি, যাতে ভালো খেলতে পারি।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে মাত্র ১৯১ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে দলটি করে ২৫৫ রান। যেখানে ছিল না কোনো সেঞ্চুরি, তিনটা ফিফটি থাকলেও ইনিংস বড় হয়নি। যা নিয়ে বেশ আক্ষেপ সিমন্সের।

বলেন, ‘কেউ কেউ গত ম্যাচে রান পায়নি, কিন্তু এখানে আগেও টেস্ট সেঞ্চুরি করেছে। কেউ বাজে শট খেলেছে, কয়েকটা সহজভাবে আউট হয়েছে। কিন্তু এসব যাতে বারবার না হয়, সেটার দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। এটা আমরা প্রতি ম্যাচেই মেনে নিতে পারি না।'

দ্বিতীয় টেস্টে কি ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত বাংলাদেশ? উত্তরে সিমন্স বলেন, ‘সত্যি বলতে গেলে, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। পরিকল্পনা হলো ইতিবাচক টেস্ট ক্রিকেটের ব্র্যান্ড খেলাটা চালিয়ে যাওয়া। শুধু দিনে ২০০ রান করাই নয়, বরং নতুন কিছু দেখানো।’

সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে ছিল তিন পেসার ও দুই স্পিনার। এই কম্বিনেশন থেকে বের হতে চান না টাইগার কোচ। সিমন্স বলেন, 'আমার কাছে টেস্ট ক্রিকেট মানে পাঁচজন মূল বোলার থাকা। বিশেষ করে এই কন্ডিশনে।’

এখানে ২০ উইকেট নিতে হলে পাঁচজন বোলার প্রয়োজন। আমাদের দলে টপ ক্লাস বোলার আছে, যারা নিজেদের প্রমাণ করেছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, জেতার জন্য আমাদের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হবে। চার বোলার দিয়ে নিয়মিতভাবে ম্যাচ জেতা কঠিন।’

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে দুই দল।