দক্ষিণ আফ্রিকার অপেক্ষা ঘোচানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। ২৭ বছরের হতাশা পেছনে ফেলে দ্বিতীয় কোনো বৈশ্বিক শিরোপা জিতে নেয় প্রোটিয়ারা। সাদা পোশাকের নতুন চ্যাম্পিয়ন তারা।

চ্যাম্পিয়ন হবার পথে মোটা অংকের প্রাইজমানিও পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পেয়েছে ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৪৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত দুই চক্রের তুলনায় যা দ্বিগুণেরও বেশি।

এবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য মোট ৫ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছিল বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৭০ কোটি টাকা।

মোটা অংকের প্রাইজমানি পেয়েছে রানার্সআপ অজিরাও। ফাইনাল হেরে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে ২ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। যা আগের চক্রে শিরোপা জিতেও পায়নি!

গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যা ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকার কিছু বেশি। আর তৃতীয় স্থান পাওয়া ভারত পেয়েছে ১৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

আর চারে থাকা নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। ইংল্যান্ড যারা পঞ্চম হয়েছে, তাদের পুরস্কার ১১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ষষ্ঠ স্থানে শেষ করা শ্রীলঙ্কা পেয়েছে ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা।

সপ্তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশও পেয়েছে মোটা অংকের টাকা। ৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এসেছে বিসিবি’র একাউন্টে, যা দেশের ক্রিকেটে টেস্ট সংস্কৃতিতে একটি বড় প্রাপ্তি হিসেবেই ধরা যেতে পারে। অষ্টম ও নবম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান পেয়েছে যথাক্রমে ৭ কোটি ২৩ লাখ ও ৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, এবারের ২০২৩-২৫ চক্রের আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য মোট ১৩৫ কোটি টাকার মতো প্রাইজমানি বরাদ্দ রেখেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।