ফিলিস্তিন ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী। লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র এই ভূখণ্ড। দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বোমার আঘাতে উড়ছে মানুষের লাশের খণ্ড খণ্ড অংশ।

গাজা থেকে রাফাহ যেন পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরিতে। চারিদিলে লাশের স্তুপ, আহত আর স্বজনহারাদের অসহায় আর্তনাদ। যা সমগ্র বিশ্ববাসীর মতো ছুঁয়ে গেছে মুশফিক- মাহমুদউল্লাহদেরও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনের জন্য প্রার্থনা আর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন তারা। নাহিদ রানা ফিলিস্তিনের একাধিক ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেন, ‘এই নিষ্ঠুরতার ভার আমাদের সবার উপর। একদিন আমাদের সবাইকে ইতিহাসের কক্ষে দাঁড়াতে হবে।’

ফিলিস্তিনের পতাকার ছবি পোস্ট করে মুশফিকুর রহিম তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘হে আল্লাহ, পুরো পৃথিবীর নির্যাতিতদের সাহায্য করো। হে আল্লাহ, তাদের জন্য রক্ষক, সাহায্যকারী, সহয়তাকারী এবং শক্তিদানকারী হয়ে ওঠো।’

তাসকিন আহমেদ লিখেন, ‘একজন মানুষ ও মুসলমান হিসেবে আমি ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের পাশে আছি। শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবতার জয় হোক- এই প্রার্থনা।’

নুরুল হাসান সোহান বলেন, ‘ফিলিস্তিন যতদিন মুক্ত না হচ্ছে, আমাদের সবার স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ।’

পবিত্র কুরআনের সূরা মায়িদার আয়াত উদ্ধৃত করে পেসার শরিফুল ইসলাম লিখেছেন, 'যে ব্যক্তি একটি নির্দোষ মানুষকে হত্যা করে, সে যেন গোটা মানবজাতিকে হত্যা করলো।’ – (সূরা মায়েদা : ৩২)।

তিনি আরো লিখেন, ফিলিস্তিনে প্রতিদিন নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরছে। ওরা আমাদের ভাই, ওরা আমাদের আত্মীয়। দোয়া করুন, গর্জে উঠুন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকুন।'

নিজের ফেসবুক পেইজে তানজিম সাকিব লিখেন, ‘মুসলিমরা তো এত ভীত ছিল না, বদরের প্রান্তরে সুসজ্জিত ১০০০ বিরুদ্ধে ৩০০ জনের সেই ঐতিহাসিক বীরত্ব গাথা কাহিনি তো আমাদের। দুনিয়া প্রীতি কি আমাদের এতটাই কাপুরুষ বানিয়ে দিলো।'

ক্রিকেটারদের মতো সাধারণ জনতাও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন ইসরাইলি আগ্রাসনের। আজ (সোমবার) দেশে দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে নানা সংগঠনের ব্যানারে।