আবারো ধস নেমেছে বাংলাদেশের ইনিংসে। ভেঙেছে শান্ত-মুমিনুলের জুটি। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও পারেননি হাল ধরতে। ৫০ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৫৪ রান।

রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে টসে জিত আগে ব্যাট করছে স্বাগতিকেরা।

এই ম্যাচ দিয়ে চলতি বছর সাদা পোশাকে প্রথমবার খেলতে নেমেছে নাজমুল হোসেন শান্তরা। আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলছে ৪ বছর পর।

ব্যাট করতে প্রথম ৮ ওভার ভালোই ছিল, ৩১ রান তুলে বিনা উইকেটে। তবে এরপরই আসে আঘাত। মাত্র ১ রানের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারিয়ে বসে দল। চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

ভিক্টর নিয়াউচির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান, ১২ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। প্রথম উইকেটের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই আবারো উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আবার আঘাত হানেন ভিক্টর নিয়াউচি।

১১তম ওভারে এসে ফেরান মাহমুদুল হাসান জয়কে, ১৪ রানে আউট হোন তিনি। ১২ ওভার শেষে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৩২। তবে দুই ওপেনারকে হারানোর ধাক্কা অনেকটাই সামলে ওঠে তৃতীয় উইকেটে।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুমিনুল হক মিলে ধরেন হাল। তাতে মধ্যাহ্নবিরতির আগে আর কোনো বিপদ হয়নি টাইগারদের। তবে বিরতির পর বড় হয়নি জুটি, ৬৬ রানে থামে যুগলবন্দী।

ব্লেজিং মুজারাবানির শিকার হয়ে থামেন নাজমুল শান্ত। ৬৯ বলে ৪০ রান করে আউট হোন তিনি। এরপর মাঠে এসে বেশিক্ষণ টেকেননি মুশফিকুর রহিম। উইকেট বিলিয়ে দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মাত্র ৪ রান করে।

তার বিদায়ের পর সাজঘরের পথ ধরেন সকাল থেকে একপ্রান্ত আগলে রাখা মমিনুল হকও। ক্যারিয়ারের ২২তম ফিফটি করেই থামেন তিনি, করেন ১০৫ বলে ৫৬ রান। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফেরেন মেহেদী মিরাজ (১)।

আট নম্বরে নেমে তাইজুল ইসলামও ছিলেন ব্যর্থ। ১৯ বলে ৩ রান আসে তার ব্যাটে। দেড় শ’ পেরোনোর আগেই হয় সপ্তম উইকেটের পতন। অভিজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে জাকের আলিই আছেন কেবল মাঠে।