আমিরাতে শারজাহ মাঠে ম্যাচ হেরে শিশিরকে দুষলেন অধিনায়ক লিটন। ২০০ রানের বিশাল পুঁজি করেও দলকে জেতানো গেল না। আমিরাতের মাঠে লিখতে হলো ম্যাচ হারার গল্প। অধিনায়ক হিসেবে এই দায় এড়াতে পারছেন না লিটন। তাই অধিনায়কের মন খারাপ।
দারুণ নৈপুণ্যে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশকে হারালো আমিরাত। ২ উইকেটের এমন পরাজয় কোনোভাবেই মানা যায় না। জয়ের কাছাকাছি এই হারে অনেকটা স্তব্ধ টিম বাংলাদেশ।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হারের কারণ পেয়েছেন দলের অধিনায়ক লিটন। শুরুর দিকে শিশিরের প্রভাব, মিডল অর্ডারে ছন্নছাড়া বোলিং এবং ফিল্ডিং সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো আমিরাতের মাঠ। এমন হারে অধিনায়ক লিটন দাস দুষলেন শিশির ও বাজে ফিল্ডিংকে।
খেলার পর হতাশ অধিনায়ক বলেন, ‘এই ম্যাচে শুরুটা আমরা ভালোই করেছি। ব্যাটিংয়েও ছিল দারুণ পারফর্মেন্স। তবে ব্যাটিংয়ে নামার পর শিশিরের কিছুটা ঘাটতি দেখেছে টাইগাররা। আর হারের এই নিয়তির সাথি ছিল বাজে ফিল্ডিং ও মিডল ওভারের বোলিং। এমন পরিস্থিতিতে বোলারদের আরো ভালো করতে হবে। পরিকল্পিত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে নজর দিতে হবে।
শিশির প্রসঙ্গে লিটন আরো বলেন, ‘এই ধরনের মাঠে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি কীভাবে বল করবেন। আপনার কৌশল কী হবে তা আগেই পরিকল্পনায় নিতে হবে। মাঠের পরিস্থিতি বুঝেই হিসাব করে বল করতে হবে।
নাটকীয়তার এই ম্যাচে শেষ ওভারে আমিরাতের দরকার ছিল ১২ রান, হাতে ছিল ৩ উইকেট। কিন্তু টাইগার পেসার তানজিম সাকিব সেই চাপ সামলে উঠতে পারেননি। নজর দেয়ার মতো এক ব্যাটিংয়ে হায়দার আলি ও মতিউল্লাহ খান এক হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে নেয়।
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মন্তব্য করে অধিনায়ক বলেন, ‘আশানুরূপ ভালো করতে পারিনি। আমি নিজেও আজকের ব্যাটিং আমার মান অনুযায়ী ভালো করতে পারিনি। তবে আমি সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব।’
বোলারদের পারফরম্যান্স উল্লেখ করে বলেন, ‘একথা ঠিক যে, সবার দিন সমান যায় না। খারাপ পরিস্থিতির সামনেও পড়তে হয়। রানা আগের ওভারে যেভাবে সাপোর্ট দিয়েছে, তার থেকে আরো ভালো কিছু আশা করেছিলাম। কিন্তু তা হয়ে উঠেনি।
সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ নিয়ে ওয়াসিম বলেন, ‘আমরা বসে আলোচনা করব। আশা করছি, আগামীকালের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াব। আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলব। সিরিজটাও ২-১ করতে শেষ করতে পারব।’