এখন পর্যন্ত যতগুলো ফ্রাঞ্চাইজি লিগে রিশাদ হোসেনের নাম এসেছে, সবগুলো দলই পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ। তার ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে তাকে সোনার ডিম পাড়া হাঁস বলাও ভুল কিছু নয়।

রিশাদ যেন হয়ে উঠেছেন সৌভাগ্যের প্রতীক। যার শুরুটা কানাডার গ্লোবাল লিগ দিয়ে। যেখানে তাকে দলে ভিড়িয়েছিল টরন্টো ন্যাশনালস। কিন্তু ভিসা জটিলতায় কানাডায় যেতে পারেননি।

কিন্তু তিনি খেলতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত তার দল টরন্টো চ্যাম্পিয়ন হয় সেই আসরে। একই ঘটনা ঘটে বিগ ব্যাশের দল হোবার্ট হারিকেন্সের সাথেও। জাতীয় দলের ব্যস্ততায় দলে যোগ দিতে না পারলেও চ্যাম্পিয়ন হয় হোবার্ট।

গত বছর গায়ানায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সুপার লিগের প্রথম আসরে রিশাদ খেলেছেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। যেখানে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশী দলটা। এবারের বিপিএলেও চ্যাম্পিয়ন হয় তার দল ফরচুন বরিশাল।

আর এবার রিশাদকে দলে টেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল লাহোর কালান্দার্স। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সোমবার রাতে কোয়েটাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তার দল।

নিজেদের চতুর্থ ফাইনালে তৃতীয় শিরোপার স্বাদ পেল ফ্রাঞ্চাইজিটি। যেখানে রিশাদের অবদান আছে বেশ। ৭ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন এই লেগ স্পিনার।

রিশাদের সাথে একই দলে ছিলেন আরো দুই বাংলাদেশী- সাকিব আল হাসান ও মেহেদী মিরাজ। সাকিব তিন ম্যাচে সুযোগ পেলেও পারেননি তেমন কিছুই করতে। ১ উইকেট আছে দখলে। মিরাজের মাঠেই নামা হয়নি।

সাকিব ভালো না করলেও লাহোর শিরোপা জেতায় সমৃদ্ধ হয়েছে সাকিবের ভাণ্ডারও। লাহোর কালান্দার্স চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মোট ছয় দলের হয়ে সাতটি ট্রফি জিতলেন সাকিব।

এর আগে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে একবার করে বিপিএল, বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস ও জ্যামাইকা তালাওয়াসের হয়ে একবার করে সিপিএল ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দু’বার আইপিএল শিরোপা জিতেন সাকিব।

বাংলাদেশের মাঝে সাকিবই সবচেয়ে বেশি ট্রফির স্বাদ পেয়েছেন। বিশ্ব ক্রিকেটে তাকালে অবশ্য অনেক পিছিয়ে আছেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১৭ ট্রফি জিতে সবার উপরে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ডোয়াইন ব্রাভো।