মুমিনুল হকের বিদায়ের পর মুশফিকুর রহিমের দিকেই তাকিয়ে ছিল দল। চাওয়া ছিল নিজের নামের প্রতি সুবিচার করবেন তিনি। তবে তা আর হলো না। দলকে বিপদে ফেলে অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ফিরেছেন সাজঘরে।

দলীয় ১৩৫ রানের মাথায় আউট হন মুমিনুল হক। ফেরেন ৪৮ রান করে। ভাঙে নাজমুল হোসেন শান্তের সাথে তার ৬৫ রানের জুটি। এরপর মাঠে আসেন মুশফিক, তবে বেশিক্ষণ টেকেননি।

২০ বলে ৪ রান করে আউট হন মুশফিক। জাতীয় দলের হয়ে এই নিয়ে শেষ ১৫ ইনিংসে ৯ম বার দুই অংক না ছুঁয়েই ফিরলেন মুশফিক। এই সময়ে নেই কোনো ফিফটিও। সর্বোচ্চ রান ৩৭।

মুমিনুল-মুশফিক ফিরলেও মাঠে আছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দেখেশুনে খেলছেন তিনি। জুটি বেঁধেছেন জাকের আলির সাথে, তুলে নিয়েছেন ফিফটি। জুটিতে এখন নাগাদ এসেছে ২৮ রান।

বাংলাদেশ দলের এই মুহূর্তে সংগ্রহ ৪৮ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৮৩ রান। ৮২ রানের লিড ভাঙার পর দলের পুঁজি ১০১ রানের। শান্ত ৫৩ ও জাকের ব্যাট করছেন ১৭ রানে।

উল্লেখ্য, সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা ভালো যায়নি। মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে যাবার পর কোনো উইকেট না হারিয়েই ৬৬ রান করে ফেলে জিম্বাবুয়ে। তবে গতকাল দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা, ফেরে লড়াইয়ে।

যদিও প্রথম ইনিংসে ৮২ রানের লিড পেয়ে যায় সফরকারীরা। বিপরীতে দ্বিতীয় দিনটা বাংলাদেশ শেষ করে ১ উইকেট ৫৭ রান নিয়ে।

এদিকে লিড ভাঙতে নেমে এই ইনিংসেও সুবিধা করতে পারেননি সাদমান ইসলাম (৪)। তবে মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক আর উইকেট যেতে দেননি। জয় ২৮ ও মুমিনুল ১৫ রান নিয়ে আজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেন।

তবে শুরুটা তেমন ভালো হয়নি। নতুন দিনে থিতু হবার আগেই ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ৩৩ রান করে মুজারাবানির শিকার হন তিনি।