গাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস বৃহস্পতিবার ভোরে চার ইসরাইলি পণবন্দীর লাশ হস্তান্তর করেছে। বিনিময়ে ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পেয়েছেন।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ইসরাইলে তাদের লাশ আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে, ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে বহনকারী বাস অধিকৃত পশ্চিমতীরের রামাল্লায় পৌঁছায়। গত সপ্তাহে তাদের মুক্তি দেয়ার কথা থাকলেও ইসরাইল হামাসের হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে ’অপমানজনক’ বলে তা স্থগিত করে।
এর আগে, হামাস বলে, ‘চারজন ইসরাইলি পণবন্দীর লাশ গোপনীয়তা বজায় রেখে ফিরিয়ে দেয়া হবে ‘যাতে দখলদাররা বিলম্ব বা বাধার জন্য কোনো অজুহাত খুঁজে না পায়।’
ইসরাইলের কাছে হামাস ওহাদ ইয়াহালোমি, সাচি ইদান, ইতজিক এলগারাত ও সোলোমো মনসুর নামে চার পণবন্দীর লাশ হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায় শনিবার শেষ হওয়ার কথা। দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা শুরু হয়নি।
এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য-বিষয়ক শীর্ষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, ইসরাইলি প্রতিনিধি দল যুদ্ধবিরতির পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনার জন্য রওনা দিয়েছে।
সূত্র : এএফপি