গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুক্রবার কায়রোতে শুরু হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীরা আশা করছেন, এটি গাজা সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটাবে।
বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী পর্যায়ে ‘নিবিড়’ আলোচনার জন্য ইসরাইলি, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যেই কায়রোতে পৌঁছেছে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দীর বিনিময়ে হামাস চার পণবন্দীর লাশ হস্তান্তরের পর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কায়রোতে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদল পাঠান।
মিশরের রাষ্ট্রীয় তথ্য পরিষেবা জানায়, ‘পূর্বে সম্মত সমঝোতার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য চলমান প্রচেষ্টার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো নিবিড় আলোচনা শুরু করেছে।’
গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়, যার প্রথম পর্যায় শনিবার শেষ হতে চলেছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় ইসরাইলের গণহত্যা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। ইসরাইল গত ১৫ মাসে গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে এবং একে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।
এএফপির পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরাইলে এক হাজার ২১৮ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের বেশিভাগই বেসামরিক নাগরিক।
হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ইসরাইলের হামলায় গাজায় ৪৮ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসঙ্ঘ এ পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
সূত্র : এএফপি