দোহার হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বারাকাত বলেছেন, হিজবুল্লাহর শক্তি কিছুটা কমলেও তাদের অস্তিত্বের মূল কারণ অপরিবর্তিত: দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের দখলদারিত্ব। যতদিন এই দখল বজায় থাকবে, ততদিন প্রতিরোধও চলবে।

তিনি আরো বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল এখনো দক্ষিণ লেবাননের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। এটাই প্রতিরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

এই অধ্যাপক বলেন, হিজবুল্লাহর আক্রমণের তীব্রতা আগের মতো নাও থাকতে পারে। তবে ইসরাইল এখনো লেবাননের সরকারকে সর্বদা চাপের মধ্যে রাখতে চায়। বৈরুতে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপ বজায় রাখার জন্য তারা বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করতে পারে।

উল্লেখ্য, ২৭ নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলের মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষকে মূলত থামিয়ে দেয়। এর মধ্যে দুই মাসের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার সময় ইসরাইল স্থল বাহিনী পাঠিয়েছিল। আজকে আবার উভয়ের মধ্যে গোলা বিনিময় শুরু হয়েছে।

সূত্র : আল জাজিরা