সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
‘‘একসাথে একটি উজ্জ্বল আগামীকাল’’ প্রতিপাদ্যে দু’টি পর্বের অনুষ্ঠানে অংশ নেয় স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
শুধু পাঠ্য বইয়ের দক্ষতাই নয়, কো কারিকুলামেও সমানভাবে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া এখন সময়ের দাবি। তাই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাকার ‘সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত হলো স্কুলটির দিনব্যাপী বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
‘‘একসাথে একটি উজ্জ্বল আগামীকাল’’ প্রতিপাদ্যে দু’টি পর্বের অনুষ্ঠানে অংশ নেয় স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। যেখানে উৎকর্ষতা, সৃজনশীলতা, চরিত্র গঠন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানোর প্রতি স্কুলের অবিচল প্রতিশ্রুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অ্যাক্টিং প্রিন্সিপাল আফরোজা সুলতানা খানের অভ্যর্থনার মাধ্যমে এবং শিক্ষার্থীদের রঙিন পরিবেশনা পুরো মঞ্চকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্যে ছিলো নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনা। শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত নাটকের দৃশ্যেও তুলে ধরা হয়েছে চলমান সমাজ বাস্তবতা, যা উপস্থিত দর্শক অতিথি অভিভাবকদের ভাবনার মনোজগতে নতুন চিন্তার খোরাক জুগিয়েছে। এই পরিবেশনাগুলি স্কুলের শিক্ষার্থীদের শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, বরং নৈতিক মূল্যবোধ ও শক্তিশালী চরিত্র গঠনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার প্রতিফলন ঘটায় বলে মনে করেন স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকগণ।
অনুষ্ঠানের আলোচনা অংশের বক্তব্যে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী ও স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষানুরাগী মাইনুল মৃধা বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিন্নধারার শিক্ষার সুযোগ করে দিতেই ২০১২ সালে সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটি যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সিডনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল রবার্ট জন থম্পসনের নেতৃত্বে আমাদের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সমোয়পযোগী ও প্রকৃত সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বর্তমানে স্কুলটি বিশ্ববিখ্যাত ও সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল কারিকুলামের অধীনে, দেশি-বিদেশি ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকার সমন্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল হিসেবে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ সকল মহলের প্রশংসা পেয়েছে।
মাইনুল মৃধা বলেন, প্রতিষ্ঠানটির এমন মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা এবং সৃজনশীলতা প্রকাশের বড় একটি প্লাটফর্ম। যা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দৃঢ় আত্মমর্যাদাকে আরো শানিত করবে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ। তিনি শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজের তুলে ধরতে আরো দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।