সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ চিকিৎসার জন্যই বিদেশে আছেন বলে দাবি করেছেন তার ছোট ছেলে রিয়াদ আহমেদ তুষার।
বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এই দাবি করেছেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে রিয়াদ আহমেদ দাবি করেন, ৮২-৮৩ বছরের একজন বয়স্ক লোক, যিনি কি না অসুস্থতার কারণে এখন দুই মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না। দুই ঘণ্টা বসে থাকতে পারছেন না, বাধ্য হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়েন। ওজন কমতে কমতে এখন ৫৪ কেজি। যে কারণে নিজের কোনো প্যান্ট পড়তে পারছেন না, বাধ্য হয়েই লুঙ্গি পড়ে থাকতে হচ্ছে। তাকে বেটার চিকিৎসার জন্য ডাক্তাররা বোর্ড করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বিদেশে চিকিৎসা করানোর জন্য।
সাবেক রাষ্ট্রপতি রাজনীতির সাথে জড়িত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রকাশ্যে বলেছেন যে উনি আর পলিটিক্সের সাথে জড়িত হবেন না এবং তারপর পলিটিক্সের সাথে কোনোভাবে জড়িত হননি। আবার, যেখানে শত শত লোক বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা করাতে নিয়মিত থাইল্যান্ড যাচ্ছে, সেখানে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে থাইল্যান্ডে চিকিৎসার জন্য তিনি আসতেই পারেন।
এ ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, সবাই দোয়া করবেন যেন তিনি সুস্থ হয়ে তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে আসতে পারেন, ইনশা আল্লাহ।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন মো: আবদুল হামিদ। গত ৬ মে রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশ ছাড়েন তিনি।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় হামলা ও গুলি করার ঘটনায় কিশোরগঞ্জে সদর মডেল থানায় তার নামে একটি মামলা রয়েছে।
তার দেশত্যাগের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।