বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে পথক তিন হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানসহ সাতজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আজ সোমবার তাদেরকে কারাগার থেকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাদের এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াক তাদের এ সব মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। গ্রেফতার দেখানোর পর তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গ্রেফতার দেখানো অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি সাদেক খান ও সায়েদুল হক সুমন।
মামলাগুলোর মধ্য মোহাম্মদপুর থানার শাহরিয়া হোসেন রোকন হত্যাচেষ্টা মামলায় আনিসুল, সালমান, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন ও আতিকুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।
এছাড়া মুগদা থানায় আইনজীবী আব্দুল আছেত শামীম ও মোহাম্মদপুর থানায় শাহরীয়া হোসেন রোকন হত্যাচেষ্টা মামলায় সাদেক খানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
আনিসুলসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার দেখানো মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ময়ূর ভিলার রাস্তায় বেলা ১১টায় আন্দোলনে অংশ নেন শাহরিয়ার হোসেন রোকন। ওই দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলি তার বাম পায়ে লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা হয়।
সাদেক খানের মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ময়ূর ভিলার রাস্তায় বেলা ১১টায় আন্দোলনে অংশ নেন শাহরিয়ার হোসেন রোকন। এদিন আসামিদের ছোঁড়া গুলি তার বাম পায়ে লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী রোকনের বাবা মনির হোসেন মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন।
সুমনের মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুল আছেত শামীম আদালতের কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। পথে মুগদা থানাধীন বাবু ডাক্তারের গলিতে আসামিদের ছোঁড়া রাবার বুলেট তার হাতে, কপালে, বুকে, চোয়ালে ও পেটে লাগলে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পুনরায় শরীরে জটিলতা দেখা দিলে ২০ আগস্ট মুগদা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় গত ১ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে মুগদা থানায় মামলা করা হয়। সূত্র : বাসস