অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ১৭ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছে আদালত।

এছাড়াও সম্রাটের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক জাকারিয়া হোসেন এ আদেশ দেন।

মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে সম্রাট আদালতে হাজির হননি। তার আইনজীবী সম্রাট অসুস্থ বলে সময়ের আবেদন করেন।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

একইসাথে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

২৫ জানুয়ারি অস্ত্র আইনের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় একই আদালত। সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো: জাহাঙ্গীর আলম ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করে।

দুদকের এই কর্মকর্তাই মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে।

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সম্রাট আত্মগোপন করেন।

পরে ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সেদিন বিকেলে সম্রাটকে সাথে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল, ১ হাজার ১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশী মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

২০২২ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মে’র মধ্যে চার মামলায় জামিন পান সম্রাট।

সূত্র : ইউএনবি