ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর সীমান্তে বিএসএফের বিরুদ্ধে মুরাদুর রহমান মুন্না নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।

বুধবার (৯ এপ্রিল) নিহতের লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের সেজামুড়া সীমান্তে জিরো পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুন্না ওই গ্রামের মরহুম ফজলুর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, বিকেলের দিকে মুন্না তার ধানি জমি দেখতে সেজামুড়া সীমান্তের কাছে যান। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাংলাদেশ সীমান্তে ফেলে রেখে যায়। পরে রাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়। এ সময় তাকে গুরুতর অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মরহুম ঘোষণা করে। এ ঘটনায় সরকারের কাছে বিচার দাবি করেছেন স্বজনরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: আরাফাত বলেন, হাসপাতালে আনার পর তার শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

সরাইল-২৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারাহ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, যতটুকু খবর পেয়েছি মুরাদ নামে একজন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তিনি কি কারণে সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন, বিএসএফ তাকে ধরেছে কিনা, না অন্য কেউ তাকে মেরেছে তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বিজিবির টহল টিমের সূত্রে দিয়ে তিনি আরো বলেন, মুরাদ ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের পর সুস্থভাবে ফিরে এসেছিলেন। এ সময় তাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় একজনের মাধ্যমে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়। বিএসএফের সাথে কথা বলে আরো বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।