আগামী রোববার ফেনীতে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪৮৫ শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ১ হাজার ১৩৮ কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন চলবে।

বৃহস্পতিবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা: এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এরমধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩০ হাজার ৪৭৩ জন ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ১২ জন। জেলার ১ হাজার ১২৪টি অস্থায়ী, সাতটি স্থায়ী ও সাতটি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে ক্যাম্পেইন চলবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ছাগলনাইয়া উপজেলার ১৪৫ কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ১০৫ শিশু, দাগনভূঞা উপজেলার ১৯৩ কেন্দ্রে ৪৬ হাজার ৭০০ শিশু, ফেনী সদর উপজেলার ২৮৯ কেন্দ্রে ৫৬ হাজার ৬২১ শিশু, ফেনী পৌরসভার ৪৫ কেন্দ্রে ২৫ হাজার ৭৫৮ শিশু, ফুলগাজী উপজেলার ১৪৫ কেন্দ্রে ২৩ হাজার ৩৪১ শিশু, পরশুরাম উপজেলার ৯৭ কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৪৮৪ শিশু ও সোনাগাজী উপজেলার ২১৭ কেন্দ্রে ৪৫ হাজার ৪৭৬ শিশুকে খাওয়ানো হবে।

ডা: এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ‘ফেনীর সকল শিশুকে এটি খাওয়াতে পারলে ক্যাম্পেইন সফল হবে। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে চোখের উপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। রাতকানা, কনজাংটিভার শুষ্কতা, বিটট স্পট, কর্নিয়ার শুষ্কতা, কর্নিয়ার ক্ষতসহ নির্দিষ্ট পরিমাণে গ্রহণ করা না হলে মানুষ শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘ভিটামিন ‘এ’ শুধুমাত্র রাতকানা রোগ প্রতিরোধ নয় বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ সময় সকল শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।’

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. ইমাম হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফাহাদ ও ডা. আমীর খসরু তারেক।