ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে পৌর এলাকায় সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। যেখানে ছয়টি দোকান ঘর করার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই পাকা স্থাপনার কিছু অংশ গুঁড়িয়ে দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুক্তা গোস্বামী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার হাবিবুর রহমান ভূইয়া একজন নির্মাণসামগ্রীর পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা। তিনি বিজয়নগর উপজেলার সংযোগকারী (সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সড়কের শিমরাইলকান্দি এলাকার তিতাস নদীর প্রথম সেতুর উত্তর দিকের সরকারি তিন শতক জায়গা দখল করে নেন। পরে সেখানে পাকা দোকান ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এদিকে অবৈধভাবে হাবিবুরের জায়গা দখলের বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালান সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় পাকা স্থাপনার পিলারসহ দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।

এদিকে স্থাপনা নির্মাণকারী হাবিবুর রহমান ভূইয়ার পক্ষে ভাতিজা দানু ভূইয়া জায়গাটি রেল বিভাগ থেকে ইজারা নেন বলে জানান।

তবে জায়গাটি বিএস জরিপে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত বলে দখলকারীদের জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। একইসাথে দখলকারীকে স্থাপনা সরাতে এক দিনের সময় বেঁধে দেন তিনি।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের লোকজন ও সদর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার বলেন, ‘বিএস ৫৭ দাগে এটি সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত খালের জায়গা। তারা যে জায়গা রেল থেকে ইজারা নিয়েছেন এটি সেই জায়গা নয়। তারা দাগ নম্বর ভুল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করছেন বলে স্বীকার করেছেন। পরে তারা স্থাপনা সরাতে সময়ের আবেদন করেন। এক দিন পর স্থাপনা না সরালে পুনরায় অভিযান চালিয়ে সব গুঁড়িয়ে দেয়া হবে।’